'অব্যবস্থাপনায় ডেঙ্গু ভয়ংকর'

ডেঙ্গুর চিকিৎসার পরিস্থিতি নিয়ে সমকালে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম অব্যবস্থাপনায় ডেঙ্গু ভয়ংকর। প্রতিবেদক সরেজমিনে ঢাকার একটি হাসপাতাল ঘুরে সেখানকার পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে এই খবরে বলা হচ্ছে যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য বিভাগের অদূরদর্শিতার কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নগরে সিটি কর্পোরেশনের চিকিৎসা কেন্দ্র না থাকা, মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব, রোগী ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতাকে কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সামনের বছরগুলোয় আরো ভয়াবহ রূপ নেবে ঢাকার ডেঙ্গু পরিস্থিতি শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে দৈনিক বণিক বার্তা। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে এই খবরে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে যে ঢাকার খাল-জলাশয় ব্যবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ না নেয়ার কারণে সামনের বছরগুলোয় পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে ২০২১ ও ২০২২ সালে বর্ষার আগে খাল ও জলাশয় পরিষ্কারের জন্য দুই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হলেও এই বছরে তেমন কার্যক্রম দেখা যায়নি। যার কারণে এ বছরে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েছে।
খবরে উঠে এসেছে যে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে আড়াই বছর আগে খাল ও জলাশয়ের টেকসকই উন্নয়নের দায়িত্ব দেয়া হলেও কোনো সিটি কর্পোরেশনই তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। জোড়াতালি দিয়ে দখল উচ্ছেদ, খনন, পরিষ্কার ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চলছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতির ব্যবস্থাপনার চিত্র নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের করা খবরের শিরোনাম মশা নিধনেই গলদ। ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন না মানা, বিশেষজ্ঞদের সিদ্ধান্ত না মানা, কর্মকর্তাদের অজ্ঞতা সহ বেশ কিছু কারণ উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে এই খবরে বলা হচ্ছে যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মেনে পশ্চিমবঙ্গ ও কোলকাতা শহরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। কিন্তু বাংলাদেশে ‘দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মশা মারতে কামান দাগার মত কথা বলে যান। অথচ কাজের কাজ কিছুই করেন না।’

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নয়া দিগন্তের খবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেই সরকারে অস্থিরতা। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির দুইদিনের পদযাত্রা কর্মসূচী সরকারে অস্থিরতা তৈরি করেছে - বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন ধারণা পোষণ করেছেন দলটির নেতারা।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
অন্যদিকে বিএনপিকে ছাড়াই ভোটের চিন্তা আওয়ামী লীগের – এমন শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে দৈনিক প্রথম আলো। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বরাত দিয়ে এই খবরে প্রতিবেদক বলছেন যে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কৌশলে বিএনপিসহ আন্দোলনকারী দলগুলোকে বিবেচনায় রাখা হচ্ছে না। সংবিধানের বর্তশান ব্যবস্থাতে নির্বাচনে আগাচ্ছে তারা।
নির্বাচনের প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়ে ৩০শে জুলাই আওয়ামী লীগের সভার খবর নিয়ে ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন Hasina to host biggest AL meet on July 30.। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণভবনে হতে যাওয়া এই সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্র ও তৃণমূলের পাঁচ হাজারের বেশি নেতা উপস্থিত থাকবে বলে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে বৃটিশ হাই কমিশনারের বৈঠক নিয়ে নিউ এজের খবর UK envoy meets AL, BNP for participatory polls. । প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের সাথে বৃটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক দেখা করে অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রতি জোর দেন।
ওবায়দুল কাদের ও সারাহ কুকের বৈঠক নিয়ে বণিক বার্তার খবরের শিরোনাম বিএনপি যে শর্ত দিয়েছে তা সংবিধানবিরোধী। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের বরাত দিয়ে ঐ খবরে বলা হয় যে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে বলে বৃটিশ হাইকমিশনারকে ওবায়দুল কাদের নিশ্চিত করেছেন।

হিরো আলম ইস্যুতে টুইট করায় জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে ডেকে অসন্তোষ জানালো ঢাকা শিরোনাম সমকালের খবরে। ঢাকা ১৭ আসনে উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস টুইট করায় বৃহস্পতিবার তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তলব করে এবং তিনি ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শেলডন ইয়টের কাছে অসন্তোষ জানানো হয়।
ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড হলে ছাড় দেয়া হবে না - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্যকে শিরোনাম করে খবর প্রকাশ করেছে নয়া দিগন্ত। খবরে বরা হচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রী গতকাল এক বক্তব্যে মন্তব্য করেন যে সরকার বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেবে না, তবে কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি হলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না।
আর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর খবর ঢাকার বাইরে আবার ফিরেছে লোডশেডিং। প্রতিবেদক জানাচ্ছেন, প্রচণ্ড গরমের সাথে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। ঘাটতি পূরণে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলার শহর ও গ্রামে দিনে ছয় থেকে সাত ঘণ্টাও লোডশেডিং হচ্ছে।









