লাইভ, ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো

ইসরায়েলে ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনা শেষে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিই সংখ্যাগরিষ্টতা পায়নি। এদিকে, ‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়ে আজ ভুক্তভোগী’ বলা ময়মনসিংহের ভালুকার সেই নারী আজ জামিন পেয়েছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

রিপোর্টিংয়ে মরিয়ম সুলতানা, সম্পাদনায় ফৌজিয়া সুলতানা

  1. ‘বিএনপিকে ভোট দিয়ে আজ ভুক্তভোগী’ বলা ময়মনসিংহের সেই নারীর জামিন

    সাথী আক্তার
    ছবির ক্যাপশান, ফেসবুক লাইভে এমন মন্তব্য করেছিলেন সাথী আক্তার

    ‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়ে আজ ভুক্তভোগী’ বলা ময়মনসিংহের ভালুকার সেই নারী আজ জামিন পেয়েছেন। বিষয়টি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান।

    তিনি জানান, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই নারীর জামিন দিয়েছে আদালত।

    ওই নারীর নাম সাথী আক্তার। গত রোববার তিনি তার ফেইসবুক পাতা থেকে লাইভ করেন। সেখানে তার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী"।

    তিনি তখন অভিযোগ করেন যে তার দু’টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আনুমানিক ২৪ হাজার টাকা মূল্যের কারেন্টের তার এবং তার বাড়ি থেকে মোবাইল, স্যান্ডেলসহ নানা জিনিস চুরি হয়েছে।

    তিনি দু'টি লাইভ করেছিলেন। একটি আট মিনিট নয় সেকেন্ড এবং আরেকটি পাঁচ মিনিট ২২ সেকেন্ডের।

    একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা গেছে, অনেক পরিশ্রম করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, কিন্তু চুরি-ডাকাতির জন্য রাত হলে নিরাপদে থাকতে পারছেন না। শুধু ব্যবসায়ীরাই না, "দেশে এখন কেউই নিরাপদে নেই" বলেও দাবি করেন তিনি।

    ওই লাইভের পর সাথী আক্তারের প্রতিষ্ঠানের সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে তার লাইভে বলা কথার প্রতিবাদ করেন।

    পরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাথী আক্তারকে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

  2. ইসরায়েলে ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই কারো

    বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট
    ছবির ক্যাপশান, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট

    ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো দলই কখনও এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, ফলে সবসময়ই জোট সরকার গঠিত হয়েছে। এবারও সম্ভবত তার ব্যাতিক্রম হচ্ছে না দেশটিতে।

    ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনা শেষে দেখা যাচ্ছে যে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের কোটা পূরণ করতে পারার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

    রাতভর নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট দুজনই সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং পরবর্তী সরকার গঠনের অঙ্গীকার করেন।

    উল্লসিত সমর্থকদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, “ডানপন্থি জোটের পক্ষে জায়নবাদী জনসমর্থন, ইহুদি জনসমর্থন এবং ইহুদি রাষ্ট্রকে সমর্থনকারী সবার মধ্যে একটি স্পষ্ট ও নির্ধারক সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সেটাই এখন পরিষ্কার হয়েছে।”

    তবে তিনি সরাসরি বিজয় দাবি করা থেকে বিরত থাকেন।

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের একটি শক্তিশালী, জাতীয়তাবাদী, ডানপন্থি সরকার গঠন করতে হবে। সেটাই করা প্রয়োজন।”

    এক্সিট পোল প্রকাশের পর, যার বেশিরভাগই শুরুতে বিরোধীদের পক্ষে ইঙ্গিত দিয়েছিল, আইজেনকোট তার ইয়াশার পার্টির সমর্থকদের বলেন, “জনগণ পরিবর্তনকে বেছে নিয়েছে। ব্যর্থতার জোট জনগণের আস্থা হারিয়েছে। ইসরায়েলের জনগণ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অব্যাহত রাখার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি আমার সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করব যাতে জনগণের রায় একটি জায়নবাদী সরকারে প্রতিফলিত হয়, যা হবে স্থিতিশীল এবং ইসরায়েলের সব নাগরিকের জন্য কল্যাণকর। আর তা দ্রুতই করতে হবে, কারণ এই সময়ের দাবি সেটাই এবং দেশকে আবারও একত্রিত করা প্রয়োজন।”

    ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন এবং এরপর যার সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে তিনি মনে করবেন, তাকেই সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন।

    এরপর ওই প্রার্থীর হাতে জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় থাকবে। তবে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হলে তিনি আরও ১৪ দিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।

    এই সময়ের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হলে প্রেসিডেন্ট অন্য একজন প্রার্থীকে নিজস্ব জোট গঠনের চেষ্টা করার সুযোগ দিতে পারেন।

    সেটিও ব্যর্থ হলে নেসেটের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে তৃতীয় একজন নেতাকে সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। আর তাতেও সফলতা না এলে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হবে।

    ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দলগুলোর বারবার সহযোগিতায় ব্যর্থতার কারণে ইসরায়েলে পাঁচটি পৃথক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    ২০২২ সালের নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ দল ১২০ আসনের মধ্যে ৩২টি জিতে সবচেয়ে বড় দলে পরিণত হয়। পরে তিনি কয়েকটি কট্টর ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট গঠন করেন, যার ফলে তিনি ও তার মিত্ররা ৬৪ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান।

  3. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    গতকালের উল্লেখযোগ্য সব খবর দেখতে ক্লিক করুন এখানে।

    বিবিসি বাংলায় দেশ-বিদেশের আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে।