মাঠে ময়দানে
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে লেস্টার, যারা গত বছর প্রিমিয়ার লীগ থেকে নেমে যাবার মুখে কোন মতো টিকে গেছিল - তারাই এবার চ্যাম্পিয়ন ।
এবারের প্রিমিয়ার লিগে শুধু এটিই যে 'অঘটন' তাই নয়, দারুণভাবে উঠে এসেছে ওয়েস্ট হ্যাম, সাউদাম্পটনের মতো ছোট বাজেটের দলগুলো।
এই দলগুলো এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বা সিটি বা আর্সেনালের মতো বড় বাজেটের দলগুলোকেও চাপে ফেলে দিয়েছে।

ছবির উৎস, AFP Getty
তা ছাড়া টটেনহ্যামের ম্যানেজার মরিসিও পচেট্টিনো, ওয়েস্ট হ্যামের স্লাভেন বিলিচ, বা সাউদাম্পটনের রোনাল্ড কোম্যান - এদের মতো অপেক্ষাকৃত নবীন ম্যানেজাররা এখনই বড় বড় দলের সপ্রশংস মনোযোগ আকর্ষণ করতে শুরু করেছেন।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, কিন্তু ইউরোপের অন্য দেশের লীগগুলোতে এটা খুব একটা হতে দেখা যায় না কেন?
এর পেছনে কি কারণ - এবারের মাঠে ময়দানেতে তাই বিশ্লেষণ করেছেন লন্ডনে ফুটবল বিশ্লেষক মিহির বোস।

ছবির উৎস, AP
ক্রিকেটে সিরিজ জয়পরাজয় নির্ধারণের জন্য একটা পয়েন্ট ভিত্তিক সিস্টেম নিয়ে আজকাল কথাবার্তা হচ্ছে।
বলা হচ্ছে আর ক'দিন পরই ইংল্যান্ড শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যে সিরিজ খেলবে - তাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার হতে পারে।
টেস্ট ম্যাচে জয়ী দল পাবে চার পয়েন্ট, ওডিআই এবং টি২০ জিতলে পাবে ২ পয়েন্ট। সিরিজ শেষে সব পয়েন্ট যোগ করে যে দল বেশি পয়েন্ট পাবে - তারাই বিজয়ী হবে।
এর আগে ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া মহিলা ক্রিকেট সিরিজে এই পদ্ধতি প্রয়োগ হয়েছিল, অনেকেই তাখন একে পছন্দ করেছিলেন।
এবার তা পুরুষদের ক্রিকেটে প্রয়োগের ভাবনা হচ্ছে।

ছবির উৎস, Getty
ইংল্যান্ড শ্রীরংকার বিরুদ্ধে তিনটি টেস্ট, পাঁচটি একদিনের ম্যাচ আর একটি টি২০ খেলবে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে চারটি টেস্ট আর চারটি একদিনের ম্যাচ।
ব্যাপারটা নিয়ে এখনো দুদেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে আলোচনা চলছে। কিন্তু এ পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ক্রিকেট মহলের বিভিন্ন স্তরে ভিন্ন ভিন্ন মত পাওয়া যাচ্ছে।
সাবেক অস্ট্রেলিয়া ফাস্ট বোলার - এবং এখন ইংল্যান্ডের ইয়ার্কশাার কাউন্টির কোচ - জেসন গিল্সেপি বলছেন, এটার ভালোমন্দ বুঝতে হলে প্রয়োগ করে দেখা দরকার। কিন্তু সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন বলছেন, ব্যাপারটা একেবারেই অর্থহীন। এই অহেতুক জটিলতা তৈরির কোন দরকারই নেই।
তবে ইংল্যান্ড টেস্ট দলের অধিনায়ক এলিস্টেয়ার কুক বলছেন, এ পদ্ধতির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা যেতেই পারে। তবে এ্যাশেজ সিরিজ যেভাবে আছে - সেভাবেই, একটা টেস্ট সিরিজ হিসেবে - থাকা উচিত।
ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড মনে করছে, এর ফলে সীমিত ওভারের ক্রিকেট সিরিজ আরো আকর্ষণীয় হবে - কারণ টুর্নামেন্টের বাইরে যেসব সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলা হয় - সেগুলো অনেক সময়ই দর্শকদের আকর্ষণ করতে পারে না।