জেএমবি নেতা মারজান সহযোগীসহ নিহতের দাবি পুলিশের

ছবির উৎস, ফোকাস বাংলা
বাংলাদেশে পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকার মোহাম্মদপুরে বেড়িবাঁধ এলাকায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা নুরুল ইসলাম মারজান এবং তার একজন সহযোগী নিহত হয়েছে।
নিহত এই জেএমবি নেতা ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনার একজন মাস্টারমাইন্ড বলেও পুলিশ বলছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সাথে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ডেপুটি কমিশনার মহিবুল ইসলাম বিবিসিকে জানিয়েছেন,কয়েকজন জঙ্গি জড়ো হতে পারে, এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি চেকপোস্ট বসায়।
রাত তিনটার দিকে মোটর সাইকেলে করে জঙ্গি নেতা নুরুল ইসলাম মারজান তার সহযোগীসহ চেকপোস্টের কাছাকাছি এসেই পুলিশকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে এবং গুলি চালায়।
তখন পুলিশ পাল্টা গুলি করে।

ছবির উৎস, POLICE
মি: ইসলাম আরও জানিয়েছেন, এই বন্দুকযুদ্ধে মোটরসাইকেলে থাকা দু'জনই আহত হয়।তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা দু'জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম বলেছেন,তাদের কাছে থাকা ছবির সাথে চেহারা মিলিয় তারা নুরুল ইসলাম মারজানকে চিহ্নিত করেছেন।
সেই নব্য জেএমবির মূল নেতা এবং সাম্প্রতিক জঙ্গি কর্মকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী বলে পুলিশের কাছে তথ্য প্রমাণ রয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, গুলশানে হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় রক্তাক্ত লাশের ছবি এই নুরুল ইসলাম মারজানের মাধ্যমের বাইরে পাঠানো হয়েছিল।
গত ১০ই সেপ্টেম্বর ঢাকার আজিমপুরে এক জঙ্গি আস্তানা থেকে তিনজন জঙ্গির স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।তাদের মদ্যে মারজানের স্ত্রীও ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।









