জিম্বাবুয়েতে প্রেসিডেন্ট মুগাবের অভিশংসনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে

ছবির উৎস, Getty Images
জিম্বাবুয়ের পার্লামেন্টে আজ মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সামরিক বাহিনী দেশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলেও মি. মুগাবে পদত্যাগ করতে অস্বীকার করছেন।
হারারেতে পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে আজ লোকজন জমায়েত হয়েছে মি. মুগাবের অভিশংসনের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানাতে ।
এর আগে মি. মুগাবে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক ডাকেন কিন্তু অধিকাংশ মন্ত্রীই এতে যোগ দেননি।
জিম্বাবুয়ের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়া মি. মুগাবের সাথে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকার করছেন। তবে সামরিক বাহিনী বলছে, তিনি মি. মুগাবের সাথে দেখা করবেন। ।

ছবির উৎস, Getty Images
মি. মুগাবে তার ভাইস প্রেসিডেন্টকে বরখাস্ত করার পরই সামরিক বাহিনী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। প্রেসিডেন্ট মুগাবে তখন থেকেই গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন।
মি. মানাঙ্গাগওয়া অজ্ঞাত স্থান থেকে আজ একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তাতে তিনি বলছেন, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে তিনি নিজ বাড়িতে ফিরবেন না।
জানু-পিএফ পার্টির একজন নেতা বলেছেন, অভিসংশনের এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে বড়জোর দুই দিনের মত লাগতে পারে। অর্থাৎ বুধবারের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট মুগাবের বিদায় নিশ্চিত করা যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ছবির উৎস, Getty Images
পদত্যাগের জন্য মি. মুগাবেকে তার নিজের দল জানু-পিএফ পার্টি চব্বিশ ঘণ্টার যে সময় বেঁধে দিয়েছিল তারও সময় অতিক্রান্ত হয়েছে সোমবার।
সেনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মি. মুগাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের একটা 'রোডম্যাপ' বা 'পরিকল্পনা' রয়েছে।
সেনা কর্মকর্তারা আরো জানিয়েছেন যে, বরখাস্ত হওয়া ভাইস-প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়া খুব দ্রুতই দেশে ফেরত আসবেন।
তিরানব্বই বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের পর জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হবার জন্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন তার স্ত্রী গ্রেস মুগাবে এবং মি. মানাঙ্গাগওয়া।
এরই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে নিজের স্ত্রীর পক্ষ নেন মি. মুগাবে এবং মি. মানাঙ্গাগওয়াকে চাকরিচ্যুত করেন। আর এই ঘটনার পরই গত সপ্তাহে দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয় সেনাবাহিনী।
এরপর গৃহবন্দী প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে তার ওপর পদত্যাগের ব্যাপক চাপের মাঝেও, তিনি ক্ষমতা ছাড়ছেন না বলে জাতির উদ্দেশে টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে জানান।
বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:








