এডিটার'স মেইলবক্স: শ্রীলংকা হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা, ওয়াসার পানি বিতর্ক

ছবির উৎস, Reuters
এ সপ্তাহের সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয় ছিল শ্রীলংকার গির্জা ও বিলাসবহুল কয়েকটি হোটেলে ইস্টার সানডের দিন ব্যাপক বোমা হামলা। এ নিয়ে লিখেছেন বেশ কয়েকজন শ্রোতা।
এদের মধ্যে ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে লিখেছেন মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি:
''শ্রীলংকার হামলায় সর্বশেষ খবর পর্যন্ত ৩৫৯ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক লোক গুরুতর আহত হয়েছে। শুনে খুবই আশ্চর্য লাগলো যখন জানা গেল হামলার ১০ দিন পূর্বে সরকারের হাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরও শ্রীলংকার সরকার কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। সরকার তাৎক্ষণিক কার্যকর পদক্ষেপ নিলে হয়তো এই শতশত প্রাণ রক্ষা করা যেত। সরকারের একটি জরুরি সতর্কবার্তাও সকলকে সতর্ক হতে সহায়তা করতো। আমি মনে করি, এর দায় শ্রীলংকার সরকার এড়াতে পারে না। আশা করি, এ ঘটনা থেকে অন্যান্য দেশের সরকারও শিক্ষা নেবে।''
মিস হ্যাপি আপনি হয়ত জানেন গত বৃহস্পতিবার শ্রীলংকা সরকার জানিয়েছে নিহতের সংখ্যা পুনর্গণনার পর দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৩- ৩৫৯ নয়। প্রথমে তাদের গোণায় ভুল ছিল বলে তারা বলছে। যাই হোক্ -দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অবশ্য এটা স্বীকার করেছেন, যে সতর্কবার্তা পাওয়া গিয়েছিলো তা সঠিকভাবে যথাযথ ব্যক্তিদের জানালে এ ঘটনা হয়ত এড়ানো যেতো বা কমপক্ষে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যেত। শ্রীলংকা সংসদের একজন নেতা অভিযোগ করেছেন যে কিছু শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য গোপন করেছেন। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে রাজনৈতিক বৈরিতা এই গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগাতে না পারার পেছনে বড় কারণ। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন পড়তে ক্লিক করুন।
একই প্রসঙ্গে আরও লিখেছেন ভাকুর্তা, সাভার থেকে মোঃ সিরাজ উদ্দিন মাষ্টার:
"শ্রীলংকায় বোমা হামলা নতুন কিছু নয়। ১০/১৫ বছর পেছনের ইতিহাস সবারই জানা। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো শ্রীলঙ্কায় মুসলিমদের কেন সন্দেহ করা হচ্ছে?"
মি: মাস্টার - ঘটনার জন্য কারা দায়ী সেটা এখন স্পষ্ট করেই বলা হচ্ছে। শ্রীলংকা সরকার ঘটনার পরদিন বোমা হামলার জন্য স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা ইসলামপন্থী একটি দল ন্যাশনাল তওহীদ জামাতকে দায়ী করেছিলেন। এরপর মঙ্গলবার আইএস এই ঘটনার দায় স্বীকার করে। ঘটনার ব্যাপকতা বিচার করে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও বলেন ঘটনার সঙ্গে আইএস-এর মত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের জড়িত থাকার দাবি উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া হামলার লক্ষ্যবস্তু এবং হামলার ধরনের সঙ্গে আইএসের মতাদর্শ এবং কৌশলের মিলও রয়েছে। আপনাদের দুজনকেই লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Thinkstock
খামারে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ে লিখেছেন মুবিন আবদুল্লাহ। আপনি ঠিকানা দেননি।
"আপনাদের এই রিপোর্টে ঢালাওভাবে প্রাণী সম্পদের অনেক বিষয়ে এক তরফা মতামত দিয়ে গেছেন। এখানে প্রাণী স্বাস্থ্য নিয়ে যারা কাজ করে তাদের কোনো মতামতই নাই । বাংলাদেশের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি সায়েন্স ফ্যাকাল্টির শিক্ষকরা অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স নিয়ে অনেক গবেষণা করে যাচ্ছেন । আপনারা যাদের মতামত নিয়েছেন তারা এই বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখেন। কিন্তু সঠিক তথ্য পেতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলা এবং তাদের মতামত নেয়া উচিত ছিল। বিবিসির কাছে এমন একতরফা ও সঠিক তথ্যবিহীন নিউজ আমরা প্রত্যাশা করি না।''
মি: আবদুল্লাহ- আমাদের রিপোর্টটি সঠিক তথ্যবিহীন- সেটা মানতে পারছি না, কারণ আমাদের রিপোর্টটির মূল ফোকাস ছিল প্রতিদিন যেসব মাছমাংস, শাকসব্জি আমরা খাচ্ছি সেগুলোর উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হচ্ছে কতটা আর তা মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর কীধরনের প্রভাব ফেলছে। যাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা বিষয়টিতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ। কিন্তু যে পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক এসব প্রাণীকে খাওয়ানো হচ্ছে তার প্রয়োজন আছে কিনা সে বিষয়ে প্রাণী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতামত নেয়া যেতেই পারত। আপনাকে ধন্যবাদ।
ওয়াসার পাানি নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তা নিয়ে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:
''ঢাকা ওয়াসার পানি নিয়ে টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরই বিবিসিসহ অন্যান্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বেশ সরগরম। এর মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে জুরাইনের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও তার পরিবারের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ। বিবিসি বাংলা তার একটি সাক্ষাৎকারও প্রচার করেছে। এজন্য বিবিসি বাংলাকে ধন্যবাদ।
''ঢাকার অধিকাংশ বাসিন্দা ওয়াসার পানি ফুটিয়ে পান করেন, এ চরম সত্যটি ঢাকা ওয়াসা স্বীকার করতে চাইছে না। আসলে আমরা অন্যান্য ভেজাল খাবারের মতো ওয়াসার দূষিত পানি পান করতে করতে মোটামুটি অভ্যস্ত হয়ে গেছি এবং এর কোন প্রতিকার না চাইতে চাইতে আমাদের অনুভূতিগুলোও ভোঁতা হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আমি মনে করি জুরাইনের মিজানুর রহমানের প্রতিবাদটি প্রতীকী হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহ। আশা করি, ওয়াসা কর্তৃপক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং বিষয়টি অনুধাবন করে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।''
এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:
''মিজানুর রহমানকে আমি এই মুহুর্তে রাষ্ট্রের সবচেয়ে সাহসী নাগরিক বলে মনে করি। প্রতিবাদটা অনেক ভালো হয়েছে, সময় বদলাচ্ছে আমাদের রাষ্ট্রের প্রতিটি বিভাগে এমন প্রতিবাদ প্রয়োজন।''
আপনাদের দুজনকেই মতামতের জন্য ধন্যবাদ। এটা অবশ্যই একটা অভিনব প্রতিবাদ ছিল। ঢাকার পানি সরবরাহের মান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অভিযোগ শোনা যায় গ্রাহকদের কাছ থেকে। জুরাইনের বাসিন্দাদের এই প্রতীকী প্রতিবাদ কতটা কাজে দেয় সেটাই এখন দেখার।

অনেকদিন পর চিঠি লিখেছেন রাজশাহীর রাণীবাজার থেকে হাসান মীর:
''গত তিন-চার দিন থেকে রাজশাহী বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে বিবিসি বাংলার প্রবাহ অনুষ্ঠান শোনায় সমস্যা হচ্ছে। বারবার সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়, আজ (২৩শে এপ্রিল) গোটা অনুষ্ঠানই শুনতে পাইনি। বেতার কেন্দ্রের ডিউটি রুমে যোগাযোগ করে একবার জানা গেল বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। পরের বার বলা হলো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিবিসির অনুষ্ঠান প্রচার করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি সম্পর্কে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।''
রাজশাহী থেকে একই অভিযোগ জানিয়েছেন মো: আশরাফুল ইসলাম। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্টদের নজরে আনছি। ধন্যবাদ বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের লিখে জানানোর জন্য।
এবারে একটি অভিযোগ। লিখেছেন মুন্সি পাড়া ৩য় লেন, খুলনা থেকে মুনির আহম্মদ:
''২৩ এপ্রিলের প্রবাহ অনুষ্ঠানে ৩০ ডিসেম্বর এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির সাংসদরা শপথ নিবেন কিনা এ সম্পর্কে সন্ধ্যায় প্রতিবেদন শুনছিলাম। এক জায়গায় থমকে গেলাম। ভুল শুনলাম নাকি? না আবারও সেই একই কথা "৩০ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে.......'' অথচ এখানে ৩০ ডিসেম্বর হওয়ার কথা। এরপর ওয়েব সাইটে দেখলাম ঐ একই কথা লেখা। বিবিসির কাছ থেকে এ ধরনের ভুল আমরা প্রত্যাশা করি না।''
এই ভুল নিয়ে লিখেছেন আরও দুজন শ্রোতা। ভুলটা অবশ্যই অনবধানতাবশত হয়েছে। এবং বেতার ও ওয়েবসাইট দুটো মাধ্যমেই এই ভুল আমাদের চোখ এড়িয়ে গেছে। এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ৩০শে ডিসেম্বর বলতে গিয়ে প্রতিবেদক শপথ গ্রহণের চূড়ান্ত সময়সীমা ৩০শে এপ্রিল বলে ফেলেছেন। তবে অবশ্যই আমাদের আরও খেয়াল রাখা উচিত। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Getty Images
ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন লিখেছেন বাংলাদেশের দাবদাহ নিয়ে।
''প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ দেশের মানুষ। বেড়েই চলছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সারা দেশে তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে আজ বিকাল থেকে রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি। বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত সহ রিপোর্ট প্রচারের অনুরোধ করছি।''
নাসার একটি রিপোর্ট বলছে ২০১৮ সাল ছিল পৃথিবীর জন্য অন্যতম সবচেয়ে উত্তপ্ত একটি বছর। গত ৫ বছর ধরে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে যার কারণে নানা দেশের আবহাওয়াতে নানা পরিবর্তন আমরা দেখছি। তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে অতীতেও আমরা রিপোর্ট করেছি, ভবিষ্যতেও অবশ্যই করব। আপনাকে ধন্যবাদ।
বাংলাদেশে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার বৃদ্ধি নিয়ে প্রতিবেদন শুনে মন্তব্য করেছেন দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার:
''কিছু ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশনে গর্ভবতী মায়ের আগ্রহ থাকে একথা ঠিক, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডাক্তারদেরই আগ্রহ থাকে বেশি। ডাক্তারদের আগ্রহ থাকবেই বা না কেন? সিজারিয়ান অপারেশনের অপারেশন চার্জ, কেবিন ভাড়া ঔষধ সব মিলে বিলটা বেশ সড়সড়ই হয়ে থাকে। গর্ভবতী মাকে সরকারি কিম্বা বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলেই সাধারণ প্রসবে নানা জটিলতার কথা বলে ডাক্তারা সিজারিয়ান অপারেশনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রের এসব অনিয়ম দেখবার কেউ রয়েছে এমনটা মনে হয় না। বিবিসি বাংলাকে ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টিতে রিপোর্ট করবার জন্য।''
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সিজারিয়ান অপারেশনের হার সাম্প্রতিক কালে অনেক বেড়েছে বলে বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে। বাংলাদেশে এই হার বেশ উঁচু। রিপোর্টটি সম্পর্কে আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Getty Images
প্রীতিভাজনেষু নিয়ে ছোট প্রশ্ন করেছেন দাউদকান্দি, কুমিল্লা থেকে তাজমিন নাহার:
''বিবিসি বাংলা শ্রোতাদের কাছে আস্থার একটি বেতার অনুষ্ঠানের নাম। আর সপ্তাহের সেরা একটি অনুষ্ঠানের নাম প্রীতিভাজনেষু। এই প্রীতিভাজনেষু সকালের পরিবর্তে সন্ধ্যায় প্রচার করলে অনেক ভালো হতো। বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ করছি।''
বুঝতেই পারছি আপনি প্রীতিভাজনেষুর একজন একনিষ্ঠ শ্রোতা। আপনার হয়ত মনে থাকতে পারে রাতের অধিবেশন পরিক্রমা বন্ধ হয়ে যাবার সাথে সাথে আমাদের সবগুলো ফিচার অনুষ্ঠানই আমরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। সেসময় প্রীতিভাজনেষুর বেতার প্রচারও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এরপর আপনাদের বিভিন্ন অনুরোধ বিবেচনা করে আমরা দুই খণ্ডে প্রীতিভাজনেষু আবার রেডিওতে ফিরিয়ে আনি। সকালের অধিবেশনে। সন্ধ্যার অধিবেশনে কোন ফিচার প্রচারের সুযোগ এখন আর নেই। শুধু শুক্রবারের বিশেষ প্রতিবেদন ছাড়া। আপনাকে হতাশ করতে হচ্ছে বলে দু:খিত। লেখার জন্য ধন্যবাদ।
এ এ এইচ জেহাদ লিখেছেন ইমেলে। পুরো ঠিকানা দেননি।
''আগে বিবিসি সাইটে আর্কাইভ ছিল। যেখান থেকে পুরাতন খবরগুলো দেখা যেত। এখন পুরাতন খবর দেখার উপায় কি?''
বিবিসি বাংলার সাইটে আর্কাইভ এখনও আছে। www.bbcbangla.com এ কিছুটা নিচের দিকে এই আর্কাইভ আছে। যেখানে সাম্প্রতিক কোন ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন, রিপোর্ট পড়তে পারেন। তবে খুব পুরনো খবরগুলো পড়ার উপযোগী আর্কাইভ এখন আমাদের সাইটে নেই। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ফিরে আসি আবার ঢাকার ওয়াসার পানি নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে। রাজারহাট, কুড়িগ্রাম থেকে লিখেছেন মোঃ মিজানুর রহমান:
''বর্তমানে ঢাকার ওয়াসা ২কোটি লোককে যেভাবে পানি দিচ্ছে তা অনেক বড়। আর দূষিত পানি আসছে প্রত্যেকের ছাদের পানির ট্যাংকি থেকে অথবা বিভিন্ন কাজের জন্য মাটি খননের সময় পাইপের লাইন ফেটে যায় সেটা দিয়ে। কারণ ফেটে যাওয়া লাইন মেরামত করা হয় না ঠিক মত।''
মি: রহমান আপনি যে কারণগুলো বলেছেন সেগুলোও পানি দূষণের জন্য অবশ্যই দায়ী। যেকথা ওয়াসাও বলেছে। তবে ওয়াসার পানি নিয়ে মানুষজনের অভিযোগ অনেকদিনের। এমন অভিযোগ রয়েছে যে ওয়াসার যে সঞ্চালন পাইপগুলো রয়েছে সেগুলো এতো বেশি পুরনো যে সেই পাইপ দিয়ে যদি বিশুদ্ধ পানি আসে তা আর বিশুদ্ধ বা পরিস্কার থাকে না। এদিকটাও দেখার প্রয়োজন রয়েছে। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।
পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।
সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্য, নবোদয় পল্লী, পশ্চিম মেদিনীপুর।
দিপক চক্রবর্তী, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।
আব্দুল খালেক ভুইঞা, নোয়াখালি।
মোঃজুয়েল রানা, দশমাইল,পঞ্চগড়।
মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম, ছোট জামবাড়িয়া, ভোলাহাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
মো: মোয়াজ্জেম হোসেন, বরিশাল।
আব্দুল হাকিম রঞ্জু, জিরানী বাজার, সাভার।
আহসান হাবিব রাজু, গুড়িয়াদহ , সুকানদিঘী লালমনিরহাট।
উজ্জ্বল ইসলাম, বড়শী, অমরখানা পঞ্চগড়।
আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:
ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/









