এডিটার্স মেইলবক্স: ডেঙ্গুর বিস্তার আতঙ্ক, ভিআইপি সুবিধা

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হল ডেঙ্গু জ্বর। এখন শুধু ঢাকা শহর নয়, ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা থেকেও ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে।
অনেকেই লিখেছেন এই ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ে। আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা থেকে কাজী সাইদ লিখেছেন:
''সামনে ঈদের সময় ডেঙ্গু খুব দ্রুত ছড়াবে, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু প্রতিরোধের ব্যাপারে শুধু ঢাকার খবরই শোনা যায় । দেশের অন্য এলাকার অবস্থা কী? আমি যে ছোট থানা সদরে থাকি সেখানে বা আশেপাশে মশা নিধনের কোন খবর আমার জানা নেই। আশা করি বিষয়টি সবার নজরে আসবে এবং কার্যকরী পদক্ষেপ দেখতে পাব।''
একই কারণে উদ্বিগ্ন বড়গ্রাম,ঠাকুরগাঁও-এর আয়শা সিদ্দিকা আশাও।
''আর মাত্র কয়েক দিন পরে পালিত হবে মুসলিম ধর্মের বৃহৎ উৎসব ঈদুল আযহা । রাজধানী থেকে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরবে হাজার হাজার মানুষ । যার কারণে ঘটতে পারে অনেক কিছু । ডেঙ্গু নিয়ে যারা ফিরবে তাদের মাধ্যমে সেটা ছড়িয়ে পড়বে স্ব স্ব গ্রাম, গঞ্জ বা নিজ বাড়িতে। এতে সরকারের আরো বড় ভূমিকা পালন করা একান্ত দরকার বলে মনে করি। সাথে আমাদের নিজেদেরও।''
আপনি এবং চুয়াডাঙ্গার কাজী সাইদ আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে যে আশংকা প্রকাশ করেছেন তা অমূলক বলে উড়িয়ে দেবার মত নয়। এমন আশঙ্কা অনেকেই করছেন। আক্রান্ত ব্যক্তি ভ্রমণ করলে তার মাধ্যমে এই রোগ ছড়াতে পারে।
এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রা এডিস মশার বংশবিস্তারের অনুকূল হওয়ায় আগামীতে আরও বেশ কিছুদিন এডিস মশার দ্রুত বংশবিস্তার ঘটার সম্ভাবনা তারা দেখছেন। মি: সাইদ - ঢাকার বাইরে জেলা উপজেলা পর্যায়ে মশা নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বা আদতে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে কিনা সেটা কিন্তু স্পষ্ট নয়। আপনাদের লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Getty Images
তবে জেলা উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে কপিলমুনি খুলনা থেকে পরামর্শ পাঠিয়েছেন মো শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:
''সারা দেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে যে স্বাস্থ্য কর্মীরা রয়েছে তাদের দিয়ে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং এডিস মশা কীভাবে নিধন করা যায় সে সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি সহ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক চিকিসা কীভাবে কোথায় করা যায় তা যদি জানানো হয় তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হত। পাশাপাশি সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদে নিযুক্ত গ্রাম পুলিশ দিয়ে যে সকল স্থানে এডিস মশা জন্ম নেয়, সেই সকল স্থান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে মনে হয় গ্রাম গঞ্জে এই রোগ খুব বেশি বিস্তার লাভ করতে পারবে না।''
আসলে শুধু গ্রাম পুলিশ কেন আপনার চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে আপনারও কিছু দায়িত্ব নেওয়া উচিত। সাধারণত স্বচ্ছ জলে এডিস মশা ডিম পাড়ে। কাজেই কোথাও তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি যাতে জল জমা না থাকে সেটা নজরে রাখতে পারেন। যেমন ধরুন বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় নজর রাখা এবং সেগুলো পরিস্কার রাখার কাজটা আপনিও সহজেই করতে পারেন। লেখার জন্য ধন্যবাদ।
একই প্রসঙ্গে ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:
''ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অনেক পুকুর, ডোবা, খাল, নর্দমা, নিম্ন জলাশয় আছে যা সারাবছর চরম অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। এগুলোই মূলত মশা প্রজননের উত্তম ক্ষেত্র। অথচ এসব জলাশয় সংস্কার করে একদিকে যেমন মশার প্রজনন ধ্বংস করা সম্ভব, ঠিক তেমনিভাবে এগুলোকে সহজেই বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত করা যায়।
জলাশয়গুলোর পানি পরিষ্কার করে চারদিকে চলাচলের রাস্তা, পর্যাপ্ত স্থায়ী চেয়ার বা বেঞ্চ, ফুলের বাগান, পানির ফোয়ারা, ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য নৌকা ইত্যাদির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। হাতিরঝিল সংস্কারের আগে ছিল মশা প্রজননের উত্তম ক্ষেত্র, কিন্তু বর্তমানে হাজারও মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে। এসব জলাশয় সংস্কার করা হলে, এগুলো মশার বংশ না বিস্তারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।''

ছবির উৎস, Getty Images
আপনার প্রস্তাবটা অবশ্যই ভেবে দেখার মত। শহরের পুকুর, ডোবা, নদর্মায় যাতে মশা বংশবৃদ্ধি না করতে পারে সে উদ্যোগ অবশ্যই সিটি করপোরেশনের চিন্তাভাবনায় থাকা উচিত। আর এসব জায়গাকে বিনোদন এলাকায় রূপান্তর করার আইডিয়াটা মন্দ না। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
সপ্তাহের আরেকটি বহুল আলোচিত বিষয় ছিল একজন ভিআইপির জন্য ফেরি আটকে রাখায় স্কুল ছাত্রের অ্যাম্বুলেন্সে মৃত্যুর ঘটনা। পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে লিখেছেন মেনহাজুল ইসলাম তারেক:
''একজন যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদার ব্যক্তিও যদি 'ভিআইপি' হিসেবে সুবিধা পান, তাহলে দেশে কতশ' ভিআইপি আছেন? তাঁদের ভিআইপি সফরের জন্য কতশ' ফেরি কত ঘণ্টা আটকা থাকবে এবং সেজন্য কতজন তিতাসকে মরতে হবে? তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। যানজটের চাপে যখন সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠে, অসুস্থ ব্যক্তির প্রাণ সংশয় হয়, তখন ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা না করে ভিআইপিদের ভোঁ ভোঁ হুইসিল বাজিয়ে গন্তব্যে ছোটা কতটা সমীচীন,তা ভাবতে হবে। কারণ এই ভিআইপি সংস্কৃতির চর্চা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে বলে আমার মনে হয়।''
আর ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন মন্তব্য করেছেন।
''হাইকোর্টের রায়টা যেন কার্যকর করা হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়, বাকিরা সবাই রাষ্ট্রের চাকর বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। যদি তাই হয়, তাহলে দেশের সকল ভিআইপি প্রোটেকশন, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিআইপি রুম, ভিআইপি সিট, ভিআইপি পাস, ভিআইপি কোটা, ভিআইপি টিকেট, ভিআইপি আসন, ভিআইপি বহর, ভিআইপি গেইট, ভিআইপি টেবিল, ভিআইপি লাউঞ্জ, ভিআইপি আপ্যায়ন, ভিআইপি অভ্যর্থনা এখনই বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ বলে মনে করছি৷''
বাংলাদেশে ভিআইপিদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলছে এ ধরণের চর্চা সুস্পষ্টভাবে তাদের ভাষায় 'ক্ষমতার অপব্যবহার'। আসলে সত্যিকার অর্থে ভিআইপি সুবিধা কারা পাবেন তার একটা নির্দিষ্ট গাইডলাইন থাকা উচিত এবং একটা সীমারেখাও বেঁধে দেয়া জরুরি। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে লিখেছেন গেন্ডারিয়ার ঢাকার শ্রোতা- মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:
''৩০শে জুলাই "জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একদিনে ৩৫ কোটি গাছ লাগিয়েছে ইথিওপিয়া" শীর্ষক প্রতিবেদনটি পড়লাম। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, বিংশ শতকের শুরুর দিকে ইথিওপিয়ায় বনভূমির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫ শতাংশ। কিন্তু ২০০০ সালের শুরুর দিকে তা নেমে আসে প্রায় ৪ শতাংশের কাছাকাছি। এ ধরণের বন উজাড়ের ঘটনা বিশ্বের নানা প্রান্তে ঘটছে, যা বিশ্বের জলবায়ুর উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য বেশ উদ্বেগ ও আতঙ্কের বিষয়।
আমাদের দেশেও জলবায়ু পরিবর্তনের কিছু উপসর্গ আমরা ইতোমধ্যে দেখতে পাচ্ছি। যেমন অসময়ে খরা, বৃষ্টি, প্রচন্ড শীত কিংবা অত্যধিক গরম, জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ইত্যাদি। ইথিওপিয়ার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উৎসাহব্যঞ্জক বিষয় এবং অনেক দেশকে সচেতন হতে সহায়তা করবে।''
ইথিওপিয়াকে ডিফরেস্টেশন বা বন-উজাড় হয়ে যাবার অবস্থা থেকে বাঁচাতে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের ১০০০টি জায়গায় প্রথম পর্যায়ে এই ৩৫ কোটি গাছ লাগানো হয়েছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলেন গাছ লাগালে তা বায়ুমণ্ডলের কার্বন শুষে নিয়ে জলবায়ুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, তবে এর জন্য সঠিক ধরনের গাছ লাগাতে হবে। অবশ্য এর সুফল পেতে লেগে যাবে বহু বছর। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার এফএম সম্প্রচার নিয়ে অভিযোগ করে লিখেছেন মাড়েয়া, পঞ্চগড় থেকে পলাশ চন্দ্র রায়:
''গত ২৭শে জুলাই সন্ধ্যার অধিবেশন ৭টা ৩০ মিনিটে বিবিসি বাংলার অধিবেশন শুনছি। হঠাৎ ৭টা ৩৩ মিনিট থেকে আর সম্প্রচার হচ্ছে না। এটা কি আমাদের স্থানীয় বেতার ঠাকুরগাঁও এফএম ৯২ মেগাহার্টসের সমস্যা, না আপনাদের সম্প্রচারের সমস্যা। তারপর সন্ধ্যা ও সকাল দুদিন আমরা বিবিসি বাংলার অধিবেশন শুনতে পারিনি।''
একই অভিযোগ করেছেন আরাজি কেশুর বাড়ি,বড়গ্রাম, ঠাকুরগাঁও থেকে মোঃ ফিরোজুল ইসলাম। আপনারা ঠিকই লিখেছেন- ঠাকুরগাঁও এফএম ৯২ মেগাহার্টসের সম্প্রচারে আসলেই কিছু সমস্যা হয়েছিল। বাংলাদেশ বেতারের প্রকৌশলীরা আমাদের জানিয়েছিলেন সম্প্রচার যন্ত্রে কিছু ত্রুটির কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়। তারা এই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করি অনুষ্ঠান শুনতে আর অসুবিধা হচ্ছে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

বড়শশী, পঞ্চগড় থেকে মোঃ উজ্জ্বল ইসলামও এই সম্প্রচার সমস্যা নিয়ে ক্ষুব্ধ।
''সম্প্রচার মান নিয়ে বহুবার চিঠিপত্রের আসর প্রীতিভাজনেষুতে অভিযোগ করার পরও, বিবিসিকে সেরকম কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখছি না। আমরা যারা গ্রামে বাস করি অধিকাংশ শ্রোতাই বিবিসি সংবাদের উপর একটু বেশি নির্ভরশীল। কেননা এখন পর্যন্ত গ্রামঅঞ্চলে সেরকম কোন কেবল সংযোগ পৌঁছাইনি। গত ২৭শে জুলাই শনিবার যখন প্রবাহ শুরু হলো ৭.৩২ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড পর্যন্ত শোনা গেলো। তারপর থেকে পুরো প্রবাহ অধিবেশনই শুনতে পেলাম না। বিবিসি এধরনের সমস্যাগুলো কতটুকু গুরুত্বের সহিত দেখে?''
মি: ইসলাম- বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে এফএম তরঙ্গে বিবিসি বাংলার অনুষ্ঠান সম্প্রচারের দায়িত্ব বাংলাদেশ বেতারের। সেখানে কারিগরি কোন ত্রুটি হলে সেটি সারানোর দায়িত্বও বেতারের। এফএম-এ অনুষ্ঠান সম্প্রচারে কোন বিঘ্ন ঘটলে স্থানীয় বেতার কর্তৃপক্ষকে সেটা যদি জানান, তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
দাকোপ, খুলনা থেকে মুকুল সরদার।
''বিবিসি বাংলার টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রবাহের সঙ্গে যুক্ত থাকতে দর্শক-শ্রোতারা অনুষ্ঠানটি নিয়মিত দেখার পাশাপাশি বিবিসি বাংলার নির্ধারিত বিষয়ে ছবি এবং ভিডিও পাঠিয়ে থাকেন। ছবির বিষয় গুলি খুবই প্রাসঙ্গিক এবং সমসাময়িক হয়ে থাকে একথা ঠিক, তবে একই বিষয়ে কিছু দিন পর পর ছবি চাওয়া হয় এটিও ঠিক। যেমন জুলাই মাসের ২৯ তারিখের প্রবাহের জন্য নৌকার ছবি চাওয়া হয়েছে। এই নৌকার ছবি আগেও চাওয়া হয়েছিল। আমার মনে হয়, ছবির বিষয় নির্বাচনে আরও কিছুটা বৈচিত্র আনা যেতে পারে। টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রবাহ সপ্তাহে সাত দিন প্রচারের কোনো পরিকল্পনা কি বিবিসি বাংলার ?''
প্রথমত প্রবাহ টিভি অনুষ্ঠান ৭দিন প্রচারের কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। দ্বিতীয়ত ছবির ব্যাপারে সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এমন ছবিই আমরা সাধারণত দর্শকদের কাছ থেকে চাই। তাই কোন কোন সময় বিষয়ের পুনরাবৃত্তি হয়ে যায়। তাছাড়া অনেকেই ছবি পাঠান, যার থেকে হাতে গোণা কয়েকটি অনুষ্ঠানে জায়গা পায়, তাই নতুনদের সুযোগ দেবার জন্যও পুরনো বিষয়ে আবার ছবি চাওয়া হয়। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ছবির উৎস, Getty Images
ছোট একটি অভিযোগ। করেছেন মৌকরন, পটুয়াখালী থেকে শাহিন তালুকদার।
''বিবিসি বাংলার সাথে কোটি শ্রোতার একমাত্র সেতুবন্ধন হচ্ছে প্রীতিভাজনেষু। সঙ্গত কারণে কিছু দিন বন্ধ থাকায় শ্রোতারা বা আমরা বিবিসি বাংলার শুভাকাঙ্ক্ষীরা কষ্টে ছিলাম। এ জন্য বিবিসি বাংলার কোন অনুশোচনা ছিল কি না?''
আপনার প্রশ্নে আমি বিভ্রান্ত। প্রীতিভাজনেষু সাম্প্রতিক সময়ে কখনই বন্ধ ছিল না। হয়ত আপনার কোথাও ভুল হয়ে থাকবে। ধন্যবাদ আপনার চিঠির জন্য।
এবারে কিছু প্রাপ্তিস্বীকার।
ভরত বিক্রম শাই গাইন, বাগেরহাট,রামপাল।
আরিফুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।
মোঃ আব্দুল হক, বড়কমলাবাড়ী, লালমনিরহাট।
বিলকিছ আক্তার, সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল।
মোহাম্মদ হোসেন, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।
পরেশ চন্দ্র দাশ, খরাদিপাড়া, সিলেট।
মোঃ জুয়েল রানা, দশমাইল, পঞ্চগড়।
পরিমল রায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
চৌধুরী আমীরুল হোসেন, কদমতলী, সিলেট।
কে এম শাহরিয়ার খান, টঙ্গি, গাজীপুর।
আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:
ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk
ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/








