আপিলের সুযোগ পেল যমুনা টিভি

Published

বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ যমুনা টেলিভিশনকে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তকে বৈধতা দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছে৻ প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আপিলের অনুমতি দেয় ।

তবে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ দেয়নি। এর ফলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যমুনা টেলিভিশন চ্যানেলটি সম্প্রচারে যেতে পারবে না। গত ২০ মে হাইকোর্ট যমুনা টেলিভিশনের পরীক্ষামূলক সম্প্রচার বন্ধ বাতিলের আদেশ বৈধ বলে রায় দেয়।

তবে যমুনা টেলিভিশনের নতুন করে করা অনাপত্তিপত্রের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলো আদালত। সম্প্রচার বন্ধের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যমুনা টিভির দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে সেদিন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ ওই আদেশ দেয়। অনাপত্তিপত্র না থাকার কারণ দেখিয়ে গত ১৯ নভেম্বর বিটিআরসি যমুনা টিভির পরীক্ষামূলক সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। এরপর ২২ নভেম্বর রিট আবেদনটি দায়ের করে যমুনা টিভি কর্তৃপক্ষ। রায়ে হাইকোর্ট বলেছিলো, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রচার বন্ধের জন্য যমুনা টিভির যে যন্ত্রপাতি প্রয়োজনীয় মনে করেছে তা জব্দ করেছে। তাই আদালত এ সম্প্রচার বন্ধের আদেশে বেআইনি কিছুই দেখছে না। রায়ে একইসঙ্গে বলা হয়, নতুন করে অনাপত্তিপত্রের যে আবেদন যমুনা টিভি করেছে তা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে এটা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিবেচনাধীন রাখা ঠিক নয়। তাই সরকারকে ওই আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হলো। বাংলা দৈনিক যুগান্তরের মালিক যমুনা গ্রুপ এই যমুনা টেলিভিশনের উদ্যোক্তা৻