ন্যাশনাল সার্ভিসের হালচাল

বাংলাদেশ সরকার
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশ সরকার
    • Author, মিথিলা ফারজানা
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  • Published
  • পড়ার সময়: ১ মিনিট

সারা বিশ্বে রবিবার পালিত হয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন দিবস।

এবারের এই দিবসে মূলত নজর দেয়া হয়েছিল কর্মসংস্থানের দিকে৻ বলা হচ্ছে কর্মসংস্থানই দারিদ্র বিমোচনের মূল পন্থা।

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় তিনটি জেলয় একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এধরনের একটি প্রকল্পে কাজ করছেন আবুল হাসান। বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় বাস৻

এসএসসি পাস করে একটি ছোট প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় মৎস্য বিভাগে কাজ পেয়ে ৬,০০০ টাকা মাসিক কর্মসংস্থান ভাতায় কাজ করছেন।

তিনি বলছিলেন এই ৬,০০০ টাকার মধ্যে মাস প্রতি ২০০০ টাকা করে কোট নেয়া হচ্ছে যা তাদের দুবছর পর দেয়া হবে এই প্রকল্প শেষ হওয়ার পর।

এর ফলে এই টাকায় তাদের চলা বেশ কষ্ট হয়ে পড়ছে।

আবুল হাসানের মত আরো ৯১৭২ জন কুড়িগ্রামে এবং ৩১৮০ জন বরগুনায় তিন মাসের প্রশিক্ষনের পর সরকারের দেয়া বিভিন্ন কর্মসংস্থানে নিয়োজিত আছে।

ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় নেয়া বরগুনা , কুড়িগ্রাম ও গোপালগঞ্জে প্রশিক্ষণ শেষে ৬৪,০০০এরও বেশী তরুনদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলে সরকার বলছে।

প্রাথমিক ভাবে এই তিনটি জেলায় ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুনদেরকে ১১ টি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে এবং কর্মসংস্থান ভাতার একটি অংশ কেটে রাখা হচ্ছে দু‘বছর পর দেয়া হবে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আহাদ আলী সরকার বলেন, এটি কেটে নেয়া হচ্ছে যাতে তারা পরে আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এর সঠিক মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে এর পরবর্তী সম্প্রসারণ।

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাতেই এই কর্মসূচী চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে বলে মন্ত্রী জানালেন৻

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ইনস্টি্উটের অর্থনীতিবিদ রুশিদান ইসলাম বলেন, তবে এর সাথে আরো কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে এতে বেসরকারী উদ্যেক্তারাও যুক্ত হয়, এবং প্রশিক্ষনের ব্যবস্থাটি প্রয়োজনে বাড়ানো যায়।

ড:ইসলাম বলেন, এধরণের উদ্যেগ সারা দেশের জন্য সফল হবে যদি সরকারি বেসরকারি সহায়তায় রাজধানী-কেন্দ্রিক না হয়ে আরো অন্যান্য এলাকায় প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয় এবং তার সাথে অবকাঠমোগত সব ধরণের উন্নতি পায়।