মার্কিন স্বাস্থ্য কার্যক্রম শুরু

তরুণ জনসংখ্যা
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ তরুণ
    • Author, আকবর হোসেন
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  • Published

বাংলাদেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উদ্যোগে গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে৻

গত বছর কার্যক্রমের আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আগামী ছয় বছরে ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়া হবে। এর আওতায় বাংলাদেশ প্রথম বছরে পারে প্রায় ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো কয়েকটি খাতে এ অর্থ খরচ করা হবে ।

গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভ কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিকভাবে আটটি দেশকে নির্বাচন করা হয়েছে। এশিয়ার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ও নেপাল।

ঢাকায় মার্কিন দাতা সংস্থা ইউএসএআইডি’র কর্মকর্তা কান্তা জামিল বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর মধ্য দিয়ে এই সহায়তার টাকা খরচ করা হবে।

কান্তা জামিল বলেন, স্বাস্থ্য সেবার তিনটি দিকে গুরুত্ব দিয়ে এ সাহায্য দেয়া হচ্ছে । এগুলো হচ্ছে: পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে শক্তিশালী করা এবং এসব স্বাস্থ্যসেবা যাতে এক জায়গা থেকে পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করা।

কান্তা জামিল মনে করেন জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকানো বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞানের অধ্যাপক নুরউন্নবি চৌধুরী মনে করেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিকে একসাথে না দেখলে অনেক কিছুই অর্জন সম্ভব নয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম. রুহুল হক বলেন, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ অবশ্যই ঠেকাতে হবে। এটি সম্ভব না হলে কোন কিছুই সফল হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঠেকাতে হবে এবং অন্যদিকে মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে হবে।

তিনি বলেন, যে মার্কিন সাহায্য এসব খাতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খরচ করা হবে।

গত দুই দশকে মা ও শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়।

তবে দাতাদেশ ও সংস্থাগুলো মনে করে বাংলাদেশকে আরও পথ পাড়ি দিতে হবে।

প্রেসিডেন্ট ওবামার গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভ-এর অন্য দিকগুলোর মধ্যে আছে এইচআইভি / এইডস, ম্যালেরিয়া ও যক্ষা মোকাবেলার মতো বিষয়গুলো।