আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস

আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে বাংলাদেশ সরকার জনশক্তি রফতানী খাতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার কথা বললেও বাস্তবতা হলো প্রতিবছরই হাজার হাজার শ্রমিক প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফেরৎ আসেন।
কতজন শ্রমিকের ক্ষেত্রে এমন হয়ে থাকে, তারও কোন পরিসংখ্যান নেই বাংলাদেশ সরকারের কাছে।
বিদেশে কাজের জন্য প্রচুর মানুষ বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিনই যান। এই বিপুল কর্মশক্তির একটি অংশ আবার বিদেশ থেকে বিভিন্ন কারনে বাংলাদেশে ফেরৎ আসে। এমনই একজন নার্গিস বেগম।
তিনি বছর দুয়েক আগে কাজের জন্য গিয়েছিলেন লেবানন। গৃহপরিচারিকার কাজ নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি।
পাঁচ মাসের মাথায় নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরে আসেন তিনি। লেবানন থেকে এক কাপড়েই ফিরতে হয়েছে তাকে।
তাহাজ নামের আরেকজন, বছর তিনেক আগে দুই লাখ টাকার বেশি খরচ করে তিনি গিয়েছিলেন, মালেয়শিয়া।
সেখানে ১৪ মাস কাজ করেও কোন বেতন পাননি তিনি। উপরন্তু বেতন চাওয়ায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে আবারো টাকা ধার করে তিনি দেশে ফিরে আসেন।
ঠিক কি পরিমান অভিবাসী শ্রমিক এধরনের সমস্যার শিকার হয় তার সঠিক কোন সরকারী পরিসংখ্যান না থাকলেও অভিবাসী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে কাজ করে এমন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে প্রতি বছর এমন প্রতারনার শিকার হয়ে দেশে ফেরে অন্তত ৫০ হাজার শ্রমিক।
বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও প্রবাসী কল্যান মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন জানালেন এধরনের প্রতারনার বিরুদ্ধে তারা শক্ত আইন প্রনয়নের কাজ করছেন।
মি হোসেন আরো জানান, এধরনের প্রতারনার বিরুদ্ধে শুরু আইন প্রনয়নই যথেষ্ট নয়। এখানে দরকার, মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃস্টি এবং সে কাজটিও তারা করতে চান।
একই সাথে এধরনের প্রতারনা রোধে, সরকারীভাবে রেজিষ্ট্রেশনের যে ব্যবস্থা আছে সেটিকেও কাজে লাগাবে সরকার।
বাংলাদেশের শেরপুরে ভারতীয় সামান্তবর্তী একটি গ্রাম থেকে ১৩ হাজার রাউন্ডের বেশি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, সকালে ওই উপজেলার একটি গ্রাম থেকে এই গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে সে গুলিগুলো কোথা থেকে কিভাবে ওই এলাকায় গেল তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন রাসেল মাহমুদ।
শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার একটি গ্রাম থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ওই গুলিগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ বলছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গ্রামে গিয়ে আটটি বস্তায় ৫৭টি প্যাকেটে সর্বমোট ১৩ হাজার ৬৮০ রাউন্ড গুলি পান। যে গ্রাম থেকে পুলিশ ওই গুলিগুলো উদ্ধার করে সেটি ভারতীয় সীমান্তবর্তী একটি গুচ্ছগ্রাম।
মুলত ছিন্নমুল মানুষদের পুর্নবাসনের জন্য ওই গ্রামটি তৈরী করা হয়েছিলো। পুলিশ জানিয়েছে গুলিগুলো কোথা থেকে কারা কি কারনে ওই গ্রামে নিয়ে গিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।








