পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দিন

বাংলাদেশে পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৪৯টি পৌরসভায় আজ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল আটটা থেকে টানা বিকেল চারটা পর্যন্ত এ ভোট গ্রহন চলে।
এর মধ্যে খুলনা বিভাগে মোট ৩০টি পৌরসভা এবং বরিশাল বিভাগে মোট ১৯টি পৌরসভা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে বরিশাল বিভাগের ২ টি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে যে শৈত্য প্রবাহ চলছে তার ফলশ্রুতিতে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও পরের দিকে প্রচুর ভোটার ভোটকেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হয়।
স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, কোন কোন কেন্দ্রে শতকার ৮০ভাগের বেশি ভোটার উপস্থিতি ছিল।
দ্বিতীয় দিনের ফলাফলে আওয়ামী লীগ এগিয়ে
উত্তরাঞ্চলে গতকাল যে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে বেসরকারী ফলাফলে দেখা যাচ্ছে বিরোধী দল বিএনপি বেশিরভাগ পৌরসভায় জিতেছে।
আর আজকে যেসব এলাকায় ভোটগ্রহণ হয়েছে সেসব এলাকায় এখন ভোট গননা চলছে।
তবে রাত দশটা পর্যন্ত পাওয়া ৪২ টি পৌরসভার বেসরকারী পূর্ণাঙ্গ ফলাফলে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ২৫ টিতে জয়ী হয়েছেন।
অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ১৫ টি পৌরসভায় জিতেছে। এছাড়া বাকীরা জিতেছে ২টি পৌরসভায়।
কর্তৃপক্ষ আশা করছে আজই আরো পরের দিকে সব এলাকার বেসরকারী ফলাফল তারা প্রকাশ করতে পারবেন।
আর আগামী ১৭ই জানুয়ারী ঢাকা এবং ১৮ই জানুয়ারী চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের পৌরসভাগুলির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
চারটি পৌরসভায় আবার নির্বাচনের দাবী

বরিশাল বিভাগে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গৌরনদী, মেহেন্দীগঞ্জ, ভোলার বোরহানউদ্দিন এবং পিরোজপুরের স্বরুপকাঠি এই চারটি পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ভোট বর্জনের ঘোষনা দিয়েছেন।
এছাড়া বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত একজন কাউন্সিলর প্রার্থী জোর করে ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আটক করে।
এছাড়াও সেখানে এক কর্মকর্তার আলমারি থেকে ১০০ ব্যালট পেপার উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওই ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং আফিসার এবং পোলিং অফিসারকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
খুলনায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
খুলনায় ভোটগ্রহণ চলাকালে তেমন বড় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
তবে পাইকগাছায় একটি কেন্দ্রে একটি ব্যালট পেপার চুরি করে বাইরে নিয়ে আসার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে সাত মাসের জেল দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েকজনকে আটক করলেও তাদের পরে ছেড়ে দেয়।
খুলনা ৩০ টি পৌরসভার দুটি পৌরসভাতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিলো।
এছাড়াও কয়েকটি জায়গায় ষ্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা উপস্থিত ছিলো।








