হরতাল শেষে দু'দিনের কর্মসূচী

hartal_bus_fire
ছবির ক্যাপশান, হরতাল চলাকালে পুরনো ঢাকায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।
Published

বাংলাদেশে বিরোধী দল বিএনপির আহুত হরতাল শেষ হয়েছে।

সোমবারের হরতাল পালনের সময় বিএনপির ভাষায় 'পুলিশী নির্যাতনের' প্রতিবাদে দুই দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা করেছে দলটি।

এ কর্মসূচীর মধ্যে মঙ্গলবার ঢাকার মুক্তাঙ্গনে এবং এর পরদিন বাংলাদেশের জেলা ও থানা সদরে বিক্ষোভ কর্মসূচী রয়েছে।

সোমবার হরতালের শেষ দিকে বিরোধী দল বিএনপি নয়া পল্টনে তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচী ঘোষনা করে।

বিএনপির মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে কর্মসূচীর বিস্তারিত তুলে ধরেন।

হরতাল চলাকালীন সংঘর্ষ

হরতাল চলাকালে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় বিরোধী দল বিএনপির প্রধান কার্যালয় এলাকা নয়া পল্টনে দুপুরের দিকে পুলিশের সাথে বিএনপির নেতা কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

পুলিশ এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করেছে।

সেখানে উপস্থিত বিএনপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ জল কামান ব্যবহার করেছে।

এদিকে বিরোধী দল বিএনপি জানিয়েছে রাজধানীর বেশ কয়েক জায়গায় তার মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশের বাধার কারনে তারা তা করতে পারেনি।

সকালের দিকে রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় গাড়ি চলাচল কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে তা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে রাজধানী থেকে দুরপাল্লার বিভিন্ন গন্তব্যে কোন বাস ছাড়েনি।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দোকান পাট খুবই কম খুলেছে।

রাজধানীর বাইরে

হরতাল চলাকালে দেশের কয়েকটি জায়াগা থেকে সংঘর্ষের সংবাদ পাওয়া গিয়েছে।

রাজশাহী থেকে সাংবাদিকরা জানাচ্ছেন সেখানে শহরের তিনটি জায়গায় পিকেটারদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিনোদপুর, রাজশাহী কলেজ এলাকা এবং সোনাদীঘি মোড় এলাকায় পিকেটারদের সাথে পুলিশের সাথে পিকেটারদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পিকেটাররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে তারা লাঠিচার্জ করে।

সংঘর্ষের ঘটনায় সেখানে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকরা বলছেন।

সেখানে দুই থানায় ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এছাড়াও হবিগঞ্জ নারায়নগঞ্জ এবং ঝিনাইদহ থেকেও পুলিশের সাথে সংঘাতের সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে।