ময়নাতদন্তের তদন্ত

Published

বাংলাদেশের শরীয়তপুরে ফতোয়ার মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হেনা বেগমের ময়নাতদন্তের দুটি রিপোর্ট ভিন্ন হওয়ার বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এবিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশে বলা হয়।

এর আগে গত ৩১শে জানুয়ারি হেনা বেগমের মৃত্যুর পর শরীয়তপুরের ৩ জন চিকিৎসক যে ময়না তদন্ত করেছিলেন সেখানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে বলা হয়েছিল।

Hena
ছবির ক্যাপশান, হেনার দুই ময়নাতদন্তে পার্থক্যের কারণ জানতে চেয়েছে আদালত।

এর পর আদালতের নির্দেশে মৃতদেহ ঢাকায় এনে আবারো ময়নাতদন্ত করা হয়।

সে ময়না তদন্তে বলা হয় মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে এবং আঘাত থেকে হওয়া রক্তক্ষরণেই হেনার মৃত্যু হয়েছে।

এই দুই তদন্ত রিপোর্টে আকাশ পাতাল পার্থক্যের কারণে এখন আদালত এই বিষয়টিই তদন্তের নির্দেশ দিল।

দুই রিপোর্টে বড় ধরনের এই পার্থক্যের কারণ নির্দিষ্ট করে খুঁজে বের করতেও বলা হয়েছে ওই নির্দেশে।

এছাড়াও মামলার দুই তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও পুলিশের আইজিকে বলা হয়েছে।

নতুন করে যেন এধরনের ঘটনা না ঘটতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালতের নির্দেশে বলা হয়।

গ্রেফতার -রিমান্ড

এদিকে হেনা বেগম হত্যা মামলার প্রধান আসামী মাহবুবের পাঁচ দিনের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।

সিআইডি পুলিশের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার মাহবুবকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

অভিযুক্ত মাহবুব খানকে গতকাল বুধবার ঢাকার কাছে সাভার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওই মামলায় মোট ১৮ জন অভিযুক্ত রয়েছে।

এদিকে হেনার বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়ার সাথে জড়িত অভিযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইদ্রিস আলীকে আদালতের নির্দেশে সকালে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।