ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে ঢাকায়
- Author, ওয়ালিউর রহমান মিরাজ
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
- Published
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান৻

ছবির উৎস, BBC Bangla
এই প্রথমবার কোন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অনুষ্টানের একাংশ বাংলাদেশে হচ্ছে৻
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৻
অনুষ্ঠানে আরো ভাষণ দেবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসির সভাপতি শারদ পাওয়ার৻
নতুন ভাবে সাজানো বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেয়া হয় বেলা ২টার সময়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের টিকেট পেয়েছেন এমন সৌভাগ্যবান দর্শকদের অবশ্য স্টেডিয়ামে ঢুকতে হচ্ছে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে।
সন্ধ্যে সোয়া ৬টা নাগাদ, মাগরিবের নামাজের পরপরই শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্ব।
তবে মূল পর্বের আগেই উৎসব শুরু হবে বলে জানান বিশ্বকাপের স্থানীয় আয়োজক কমিটির পরিচালক আলী আহসান বাবু।

ছবির উৎস, Focus Bangla
মাগরিবের পরপরই শুরু হবে মূল পর্বের অনুষ্ঠান এবং এটি চলবে দুই ঘন্টারও বেশী সময় ধরে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্বে কী থাকছে, তা নিয়ে কৌতূহল থাকা খুবই স্বাভাবিক।
মূল অনুষ্ঠানে আয়োজক তিনটি দেশই – অর্থাৎ বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলংকা আলাদাভাবে সময় পাবে একেবারে নিজস্ব বিষয়বস্তু, তাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরার জন্যে।
বাংলাদেশ সময় পাবে ২০ মিনিটের মতো।
মূল পর্বে আয়োজন সম্পর্কে আলী আহসান বাবু বলেন যে, তিন দেশের তিনটি অংশ থাকবে এবং সবগুলো দেশই নিজেদের মতে করে তা সাজাবে।
‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্জন, স্বাধীনতা, ভাষা আন্দোলন ইত্যাদি তুলে ধরা হবে। উপজাতিদের বিষয়গুলোও থাকবে।` জানালেন আলী আহসান বাবু৻
গান গাইবেন কানাডিয়ান শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস, ভারতের সনু নিগম আর বাংলাদেশের দুই তারকা শিল্পী – রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিন।
বিশ্বকাপের থিম সং যারা তৈরী করেছেন, সেই শংকর-এহসান-লয়ের শংকর গান গাইবেন।

ছবির উৎস, bbc bangla
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ১৪টি দেশের অধিনায়ক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাবেন আরেক চমকের মধ্য দিয়ে।
আলী আহসান বাবু বলেন, ঢাকা রিকশার শহর হিসেবে পরিচিত। সেই কারণে ১৪টি রিকশা সুন্দর করে সাজানো হবে, এলইডি লাইট ব্যবহার করা হবে।
এই রিকশায় করেই ১৪টি দেশের ১৪জন ক্যাপ্টেন একটি করে শিশুকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে ঢুকবেন। সনু নিগম যখন গান গাইবেন, তখন ক্যাপ্টেনরা স্টেজে থাকবেন।
ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে থাকবেন আইসিসি’র প্রেসিডেন্ট শারদ পাওয়ার।
কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ কী হবে?
আলী আহসান বাবু বলেন অ্যারিয়াল ক্রিকেটের আয়োজন করা হয়েছে এবং পাশের একটি ভবনের ওপর তা দেখানো হবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে। এছাড়া, এলইডি ঘুড়ি ওড়ানো হবে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হবে আতশবাজী পোড়ানোর মধ্য দিয়ে।
আয়োজকরা বলছেন যে আতশবাজী পোড়ানোর এই পর্বটি হবে অত্যন্ত জমকালো।








