ড. ইউনুসের আপিল আবেদন

ছবির উৎস, Focus Bangla
- Author, কাদির কল্লোল
- Role, বিবিসি বাংলা
- Published
বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ নিয়ে নোবেল বিজয়ী ড: মুহাম্মদ ইউনুসের আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
তবে তাকে অব্যহতি দেওয়াকে বৈধ বলে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছে, তার উপর কোন স্থগিতাদেশ দেয়নি চেম্বার জজ আদালত।
এটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় ড: ইউনুসের ঐ পদে দায়িত্ব পালন আদালত অবমাননা হবে।
ড: ইউনুসের পক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, বিষয়টি বিচারাধীন হওয়ায় ড: ইউনুস এখনও দয়িত্ব পালন করতে পারবেন।
ড: ইউনুসের পক্ষের দুটি আবেদনের শুনানির পর চেম্বার জজ আদালত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ১৫ই মার্চ দিন নির্ধারণ করেছে।
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে ড: মুহাম্মদ ইউনুসকে অব্যহতি দেওয়াকে বৈধ বলে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছে, সেই আদেশের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে একটি আবেদন করা হয়েছে।
আরেকটি আবেদন করা হয়েছে ঐ অব্যহতি দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের দু’টি চিঠির কার্যকারিতার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে।
দু’টি বিষয়ে স্থগিতাদেশ চাওয়ার পাশাপাশি আপিলের অনুমতির জন্য ড: ইউনুস নিজে এই আবেদন করেছেন।
এছাড়াও তার পক্ষে একই ধরনের আবেদন করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডের নয়জন সদস্য।
উভয়পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত কোন স্থগিতাদেশ না দিয়ে বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের এটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, কোন স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় হাইকোর্টের আদেশ বহাল রয়েছে।

ছবির উৎস, grameeninfo.org
ফলে এখন গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে ড: ইউনুসের দায়িত্ব পালন আইন সম্মত নয় এবং এটা আদালত অবমাননা হবে বলে মনে করেন এটর্নী জেনারেল।
কিন্তু এমনটা মানতে রাজি নন ড: ইউনুসের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিষ্টার রোনউদ্দিন মাহমুদ।
তিনি বলেছেন, অব্যহতি দেওয়া সর্ম্পকিত বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কোন সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
একইসাথে অব্যহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হলেও আরও কিছু প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
ব্যারিষ্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ বলেন, বিষয়টি এখন বিচারাধীন থাকায় এখন সংস্লিষ্ট পক্ষগুলো অপেক্ষা করবে।
এই সময়টাতে ড: ইউনুস ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে যেতে পারবেন বলে ব্যারিষ্টার মাহমুদ আশা প্রকাশ করেন।
এখন বিষয়টিতে ১৫ই মার্চ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।








