বইমেলায় ভিন্নধরনের উদ্যোগ

ছবির উৎস, focus bangla
বাংলাদেশে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এবার একটি ভিন্নধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
পুলিশ সদস্যদের লেখা বই নিয়ে তারা একটি স্টল দিয়েছে মেলায়।
এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্লগিং ওয়েবসাইট থেকে বই বের করেছেন বিভিন্ন ব্লগারেরা।
দর্শনার্থী এবং ক্রেতারা বলছেন, ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করেছে মাসব্যাপী চলতে থাকা এই বইমেলা।
এবারের অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ষাটতম বার্ষিকীতে।
লম্বা লাইন
শুক্রবার ছুটির দিনে বাংলা একাডেমি আয়োজিত এ বইমেলায় এসেছেন কয়েক হাজার দর্শনার্থী।
মেলার প্রবেশপথে বেশ লম্বা একটি লাইনে অপেক্ষা করার পরই দর্শনার্থীরা সুযোগ পাচ্ছেন মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করার।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্টলে শুধুমাত্র পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন পত্রিকা এবং পুলিশ সদস্যদের লেখা বই বিক্রয় করা হচ্ছে।
স্টলটিতে কর্মরত পুলিশ সার্জেন্ট নুরুল মোমেন বলেন, "পুলিশের ভেতরে যে আমরা সংস্কৃতি চর্চা করি এবং পুলিশের মধ্যেও যে তৃণমুল পর্যায়ে লেখালেখি করা হয় সেটি সবাইকে জানানোর জন্যই এই স্টল।"
পুলিশের এই স্টলটি দর্শনার্থীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছিল। বেশ কয়েকজন আগ্রহী দর্শনার্থীকে দেখা গেল যারা এই স্টলের বইগুলো দেখছেন।
এমনি একজন দর্শনার্থী মোহাম্মদ হেলাল বলছিলেন, বইমেলায় পুলিশের একটি বিশেষ স্টল দেখে তিনি বেশ অবাক হয়েছেন।
"নি:সন্দেহে এটি একটি ভাল উদ্যোগ" বলেন তিনি।
ব্লগারদের বই
এদিকে এবারের বইমেলায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেছিলেন মেলার আয়োজকেরা।
তবে শুধু আয়োজকরাই নয় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারকারীরাও মেলায় তাদের জায়গা করে নিয়েছেন।
বিভিন্ন ব্লগার তাদের ব্লগিং প্লাটফর্ম থেকে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রকাশ করেছেন নিজেদের বই।
ব্লগিং ওয়েবসাইট আমারব্লগ ডট কমের একটি স্টলে কর্মরত একজন ব্লগার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলছিলেন, তাদের স্টলে বিভিন্ন ব্লগারদের বই বিক্রির পাশাপাশি ব্লগারদের একটি মিলনমেলায়ও পরিণত হয়েছে।
প্রতিদিন বিকেলে প্রচুর ব্লগার আসেন এখানে আড্ডা দেয়ার জন্য, বলেন মি. মহিউদ্দিন।
প্রকাশকরা বলছেন, অন্যান্যবারের তুলনায় এখনও মেলায় বই বিক্রির পরিমাণ কম। তবে সামনের দিনগুলোতে বিক্রির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন৻








