ভূমিধ্বস-বন্যায় ৮০ জন নিহত

cht_flood
ছবির ক্যাপশান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে পানিবন্দী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক।
    • Author, আহরার হোসেন
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  • Published

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভূমি ধ্বস, বন্যা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ৯০ জনের বেশি নিহত হয়েছে।

বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনাই ঘটেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, পার্বত্য জেলা বান্দরবান এবং কক্সবাজারে।

প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম কার্যত সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখান পাহাড় ধ্বসে যারা চাপা পড়েছেন তাদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী তলব করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে কক্সবাজারে। সেখান ৩৭ জন নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই ভূমিধ্বসে মাটিচাপা পড়েন। বান্দরবানেও পাহাড় ধ্বসে ৩৬ জন নিহত হন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমেদ জানিয়েছেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধ্বসে এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২১ জন নিহত হন।

গত চারদিন ধরেই চট্টগ্রামে প্রবল বর্ষণ হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তা বলছেন, গত চারদিনে সেখান রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে।

রানওয়েতে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার কারণে চট্টগ্রাম সমূদ্র বন্দরের কার্যক্রম মঙ্গলবার থেকে বন্ধ ছিল। কিন্তু বুধবার থেকে সেখানে আবার কাজ শুরু হয়েছে।

সংবাদদাতারা বলছেন, চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ কার্যত বন্ধ রয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কিছু অংশ পানিতে ডুবে আছে। সীতাকুন্ড এবং কুমিরার মাঝখানে একটি রেলসেতু ভেসে যাওয়ার পর ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর অনেক নীচু এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে।