বিতর্কিত কুরিলে রুশ প্রধানমন্ত্রী

ছবির উৎস, RIA Novosti
রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেডভিয়েদেফ বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জে এক সফরে যাওয়ার পর জাপান এর তীব্র প্রতিবাদ করেছে।
কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি এবং এটি সেখানে মি মেদভিয়েদেফের দ্বিতীয় সফর ।
মি মেlভিয়েদেফের নেতৃত্ব বড় একটি রুশ প্রতিনিধিদল সেখানকার কুনাশির দ্বীপে গিয়ে নামার পর জাপান এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে।
জাপান সরকার বলছে মিঃ মেদভিয়েদেফের এই সফর রুশ জাপান সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির ।
দুবছর আগে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মিঃ মেদভিয়েদেফ যখন ওই দ্বীপে যান তখনও জাপানের প্রধানমন্ত্রী কড়া ভাষায় এর সমালোচনা করে ওই সফরকে ক্ষমার অযোগ্য অন্যায় বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন ।
এবারের সফরকেও খুবই দুঃখজনক বলে বলেছেন জাপানের মুখ্য ক্যাবিনেট সচিব ওসামু ফুজিমুরা ।
"রুশ -জাপান সম্পর্কের বিচারে একজন শীর্ষস্থানীয় রুশ রাজনীতিকের নর্দার্ন টেরিটরি সফরে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা দুঃখজনক। এই অমীমাংসিত এলাকা নিয়ে রুশ সরকার যে পদক্ষেপ নিলো, তা সঠিক নয়।"
চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দার্ন টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপানের কাছ থেকে কুরিলের দখল নেবার পর থেকে এই দ্বীপপুঞ্জ দু দেশের মধ্যে বিরোধের একটা কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।
এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি ।








