প্রায় ৫০ বছর পর লিবিয়ায় প্রথম ভোট

ছবির উৎস, Reuters
প্রায় পঞ্চাশ বছর পর লিবিয়ায় প্রথম অবাধ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জাতীয় অর্ন্তবর্তী পরিষদের (ন্যাশানাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল) জায়গায় নতুন এক অস্থায়ী পরিষদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন হাজারের বেশি প্রার্থী।
নয় মাস আগে মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জাতীয় অর্ন্তবর্তী পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
নব নির্বাচিত পরিষদ একটি অর্ন্তবর্তী সরকার নিয়োগ করবে এবং নতুন সংবিধান রচনা করবে।
তবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সহিংসতা আর গভীর আঞ্চলিক বিভেদের মধ্যে দিয়ে।
ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে শুক্রবার বেনগাজির কাছে নির্বাচনের সরঞ্জাম বহনকারী একটি হেলিকপ্টারের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন একজন নির্বাচন কর্মী।
পূর্ব লিবিয়ায় বহু মানুষ আশংকা করছেন তেল সমৃদ্ধ ওই এলাকার পরিষদে যথেষ্ট প্রতিনিধিত্ব থাকবে না।

ছবির উৎস, BBC World Service
নতুন পরিষদের ২০০ আসনের মধ্যে পূর্ব লিবিয়াতে ৬০ টি আসন দেওয়া হয়েছে।
ন্যাশানাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল নতুন পরিষদ গঠনের যে পদ্ধতি তৈরি করেছে তাতে পশ্চিমাঞ্চলকে দেওয়া হয়েছে ১০০টি আসন আর বাকি ৪০টি আসন নির্ধারিত রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য।
ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় এবং রাজধানী ত্রিপলির ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোর বাইরে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
বহু মানুষের মধ্যে ঐতিহাসিক এই নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ উদ্দীপনা দেখা গেলেও ত্রিপলিতে বিবিসির সংবাদদাতা রানা জাওয়াদ বলছেন পরিকল্পনা অনুযায়ী সব জায়গায় ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয় নি।
বিবিসি সংবাদদাতা বলছেন পূর্ব লিবিয়ার অধিবাসীরা মনে করছেন মুয়াম্মার গাদ্দাফির ৪২ বছরের শাসনমালে এই এলাকা যেহেতু তার ক্ষমতার শক্ত ঘাঁটি ছিল তাই এই পরিষদ গঠনে এই এলাকাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
সাবেক কিছু বিদ্রোহী নির্বাচনের আগে এই ভোট ভন্ডুল করার হুমকি দিয়েছিল।
কর্নেল গাদ্দাফির শাসনের অবসান হলেও লিবিয়িায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত ও অস্থিতিশীল।








