
সিরিয়ার বিদ্রোহী গ্রুপের সামরিক কমান্ডার অভিযোগ করেছেন লেবাননের হেজবুল্লাহ গ্রুপ ইরানের সমর্থনে সিরিয়াতে আক্রমণ করছে।
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে জেনারেল সেলিম ইদ্রিস বলেছেন বিদ্রোহীদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অস্ত্র নেই যেটা দিয়ে তারা প্রায় ৭ হাজার হেজবুল্লাহ সদস্যকে প্রতিরোধ করতে পারে।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় হেজবুল্লাহর সদস্যদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ফ্রি সিরিয়া আর্মির একটি অংশের নেতৃত্বে থাকা জেনারেল ইদ্রিস বলেন হেজবুল্লাহর এই ৭ হাজার সদস্য কুসাইর শহর ঘিরে রেখেছে।
তাদেরকে মোকাবেলা করার জন্য তিনি পশ্চিমা শক্তির কাছে সাহায্য চান।
এবং বলেন আমরা মারা যাচ্ছি, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। তিনি আরও বলেন তিনি খবর পেয়েছেন ইরানের যোদ্ধারাও এতে সম্পৃক্ত আছেন।
মি. ইদ্রিস এখানে বলছিলেন আল কুসাইয়ের অবস্থা খুব খারাপ। এবং বিপদজনক।
হেজবুল্লার যোদ্ধারা খুবি সুসংগঠিত, তারা আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত, শুধু তাই নয়, সিরিয়ার সরকারের বিমান বাহিনী দিয়ে তাদেরকে সাহায্য করা হচ্ছে।
তাদের হামলায় শহরের মধ্যে অনেক আহত মানুষ রয়েছেন।
তাদেরকে চিকিৎসার জন্য বাইরে আনা যাচ্ছে না কারণ শহরটি হেজবুল্লাহ সদস্যরা ঘিরে রেখেছে।
এদিকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলছে সরকার শহরটিতে আরও শক্ত অবরোধ জারি করেছে।
তারা বলছে কুসাইয়ের একটি বিমান ঘাটি তারা দখলে নিয়েছে।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে হেজবুল্লাহ যেন অতিসত্বর সিরিয়া থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেয়।
তারা বলছে সিরিয়াতে তাদের উপস্থিতি অগ্রহণযোগ্য এবং বিপদজনক।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র বলছিলেন হাসান নাসরুল্লার তার ঘোষণার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কুসাইর ও সিরিয়ার অন্যান্য অংশে হেজবুল্লার জঙ্গিরা সক্রিয় আছে।
আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে আসল যখন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন কুসাইয়রে বিদেশী যোদ্ধাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টির নিন্দা জানিয়েছে।

























