তারেক রহমানকে আদালতে হাজির হবার নির্দেশ

- Author, ফারহানা পারভীন
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
- Published
বিদেশে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে খালাস দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা আপিল গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।
একই সাথে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে অর্থ পাচারের অভিযোগে করা মামলায় গত বছরের নভেম্বরে তারেক রহমানকে খালাস দেয় বিচারিক আদালত।
নিম্ন আদালত থেকে খালাস পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন গত ৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করে।
গত বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে এই শুনানি শুরু হয়। দুদকের আইনজীবী খুরসীদ আলম খান বলছিলেন হাইকোর্ট তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা আপিলের আবেদন গ্রহণ করেছে ।
একই সাথে নিম্ন আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কারণ প্রসঙ্গে দুদক বলছে মামলাটি আইনউপায়ে সূক্ষ্মভাবে বিচার বিশ্লেষণ করলে হয়ত তিনি খালাস নাও পেতে পারতেন।
আজকের প্রাথমিক গ্রহণযোগ্যতার শুনানিতে তারা সেই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন।
দুদকের আইনজীবী মি. খান বলছিলেন তারেক রহমান যদি নিম্ন-আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন না নেন তাহলে হাইকোর্টে করা আপিলের বিরুদ্ধে আইনগত উপায়ে লড়তে পারবেন না তিনি।
এ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াতেই অনুপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান।
গত পাঁচ বছর ধরে তিনি চিকিৎসার প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
মি. রহমানের আইনজীবি আহমদ আজম খান বলছিলেন তারা আদেশের সারটিফাইড কপি হাতে পাওয়ার পর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
তবে তিনি দুদকের এই আপিল করাকে উদ্দেশ্যমূলক বলে বর্ণনা করেন।
তিনি আরো বলেন তারেক রহমান এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং মামলা মোকাবেলা করার মত সুস্থতা তার এখন নেই।
বিদেশে অর্থ-পাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিলেও ওই একই মামলায় মি.রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে সাত বছর কারাদণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করে নিম্ন আদালত।








