সাত-খুনে দ্বিতীয় র‍্যাব কর্মকর্তার জবানবন্দী

পুলিশ প্রহরায় আটক র‍্যাব কর্মকর্তা
ছবির ক্যাপশান, পুলিশ প্রহরায় আটক র‍্যাব কর্মকর্তা
Published

বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত-খুনের ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার কথাটি স্বীকার করে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‍্যাবের আরো একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন।

কর্মকর্তারা বলছেন, র‌্যাব কর্মকর্তা -- নৌবাহিনীর সাবেক লে. কমান্ডার -- এমএম রানা নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কেএমমহিউদ্দিনের আদালতে এই জবানবন্দী দিয়েছেন।

ঐ খুনের ঘটানায় জড়িত থাকার সন্দেহে ২০ দিন আগে পুলিশ মি. রানাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে বুধবার র‍্যাবের আরেকজন কর্মকর্তা -- সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর -- আরিফ হোসেনও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের একজন কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, মি. ইসলামের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিমকে গত ২৭শে এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহৃত হন।

তিন দিন পর অর্থাৎ ৩০শে এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অপহৃত ছয় ব্যক্তি এবং ১লা মে বাদবাকি একজনের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

গোড়া থেকেই নিহতদের পরিবারগুলো এই সাত খুনের সঙ্গে র‌্যাবের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনেন এবং বলেন যে র‍্যাব কর্মকর্তারা ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, যেটি অস্বীকার করছেন অভিযুক্তরা।

নারায়ণগঞ্জের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও নির্যাতন করে একজন ব্যবাসায়ীকে হত্যা করার অভিযোগ করা হয়েছে র‍্যাবের বিরুদ্ধে।

গত মে মাসে কুমিল্লার লাকসামেও র‍্যাবের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি অপহরণ ও গুমের মামলা হয়।