করাচী বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২৩ জন

karachi airport attack
ছবির ক্যাপশান, হামলার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিমান বন্দরটি ঘিরে ফেলে
Published

পাকিস্তানের করাচী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার মধ্যরাতে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের চালানো <span >সন্ত্রাসী <span >হামলায় <span >হামলাকারী ১০ জনসহ অন্তত ২৩ জন মানুষ <span >প্রাণ হারিয়েছেন।

<span >নিহতদের বাকীদের বেশিরভাগই বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষী এবং এয়ারলাইন্সের কর্মী বলে জানা গেছে।

<span >এছাড়া আহত হয়েছে অন্তত ১৪ জন।

<span >এদিকে, সরকারি বাহিনীর পাল্টা হামলায় হামলাকারী দশজনই নিহত হয়েছে।

<span >স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, হামলাকারীরা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষীদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড এবং গুলি ছুঁড়ে হামলা শুরু করে।

<span >বিমানবন্দর এলাকায় এখনো গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।

<span >দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশ এখন বিমানবন্দরটি ঘিরে রেখেছে এবং বিমানবন্দরের আশেপাশের সবগুলো সংযোগ সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে।

<span >এছাড়া করাচী-গামী সব ধরণের ফ্লাইট দেশের অন্য বিমানবন্দরে অবতরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

<span ><span >জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের পুরনো টার্মিনালে অতর্কিতেই শুরু হয় বিস্ফোরণ ও গোলাগুলি।

<span ><span >হামলার পরপরই দেশটির আর্মি কমান্ডোরা বিমান বন্দরটি ঘিরে ফেলে এবং আক্রমণকারীদের সাথে গোলাগুলি শুরু হয়।

<span ><span >পাকিস্তানের ডন পত্রিকা জানিয়েছে, ফক্কার গেট এলাকা দিয়ে আক্রমণকারীরা বিমানবন্দরে অনুপ্রবেশ করেছিল।

<span >বলা হচ্ছে, আক্রমণকারীরা কাঁটাতারের বেড়া কেটে সেখানে প্রবেশ করেছিল।

<span ><span >ডন পত্রিকা আরও জানিয়েছে যে, হামলাকারীদের কয়েকজন একটি বিমানের ভেতরেও ঢুকে যেতে সমর্থ হয়েছে।

<span ><span >প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত টার্মিনালে এখনো ধোঁয়া উড়ছে এবং এখনো সেখানে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে।

<span ><span >বিমান বন্দরের লাগোয়া এলাকার একজন বাসিন্দা বলেছেন, হঠাৎ করে মধ্যরাতে তিনি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান।

<span >এরপর বাড়ির ছাদে উঠে দেখতে পান যে, বিমানবন্দরের ভেতরে আগুন জ্বলছে এবং অনেক ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে।

<span ><span >এছাড়া হাম্মাদ নামের একজন কূটনৈতিক জানিয়েছেন, বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে তিনি বিমান বন্দরের ভেতরে একটি প্লেনে আগুন জ্বলতে দেখেছেন।

<span ><span >এই টার্মিনালটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হতো না, এখানে কেবল কার্গো পরিবহন এবং ভিআইপি ফ্লাইট চলাচল করতো।