বুরকিনা ফাসোর সরকার ভেঙে দেয়া হয়েছে

ছবির উৎস, AFP
বুরকিনা ফাসোতে সংঘর্ষের পর দেশটির সরকার ভেঙে দেয়া হয়েছে।
একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান।
সংবিধান সংশোধন করে দেশটির প্রেসিডেন্ট ব্লেইজ কম্পোরে তার ২৭ বছরের শাসনকাল আরো বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন খবরে দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে।
দেশটির পার্লামেন্টে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারিরা।
এর কয়েক ঘণ্টা পরই এমন ঘোষণা এলো।
ব্যাপক বিক্ষোভ ও পার্লামেন্ট ভবনে আগুন দেবার ঘটনার পর দেশটিতে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে।
দেশজুড়ে রাতের বেলায় কারফিউ এর ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
দেশটির সেনা প্রধান সরকার ভেঙে দিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘোষণা দিয়েছেন।
আগামী এক বছরের জন্য এই সরকার দায়িত্ব থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
একটি নতুন সাংবিধানিক সরকার গঠন করতে কাজ করবে এই সরকার।
তবে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কে হবেন তা এখনো ঘোষণা হয় নি।
এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্টও এক রেডিও বার্তায় একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিরোধী নেতৃবৃন্দকে আলোচনা বসবার আহবান জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট।
তবে তিনি এখন ঠিক কোথায় রয়েছেন তা জানা যাচ্ছে না।
দেশটির অন্যতম প্রধান একটি বিরোধী দলের নেতা স্যাম এস কে লেইয়া বলেছেন সবমিলিয়ে বুরকিনা ফাসোর রাজধানীতে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি বিরাজ করছে।
তিনি বলেছেন “রাস্তায় বিক্ষোভকারিদের সাথে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যদেরও দেখা গেছে। তারা জনগণের দাবির পক্ষে একসাথে কাজ করছে বলে জানাচ্ছে। ঠিক কি ঘটছে বা ঘটতে যাচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না”
এই পরিস্থিতিতে মি: লেইয়া সহ আরো কিছু বিরোধী দলিও নেতা আত্মগোপন করে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন ঠিক কে এখন দেশটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে আরো সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে।








