সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে আজও সিদ্ধান্ত হয় নি

বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়েই সেনাবাহিনীর সদস্যদের সেনানিবাসের বাইরে এনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমের জন্য মোতায়েন করার নজির আছে। (ফাইল চিত্র)
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়েই সেনাবাহিনীর সদস্যদের সেনানিবাসের বাইরে এনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমের জন্য মোতায়েন করার নজির আছে। (ফাইল চিত্র)
    • Author, আহরার হোসেন
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  • Published

বাংলাদেশে আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে পর পর দ্বিতীয় দিনের বৈঠকেও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।

আগামিকাল মঙ্গলবার কমিশন আবার বসবে বলে জানা গেছে।

ওদিকে বিরোধী বিএনপি সেনা মোতায়েনের দাবিতে তাদের চাপ অব্যাহত রেখেছে।

বিরোধীতা করছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। তাদের কথা, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো যুক্তি তারা দেখছেন না।

বাংলাদেশে আগামী আটাশে এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কিনা, সেই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনে আজ দ্বিতীয় দফায় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার প্রথম দফা বৈঠকে এই প্রসঙ্গে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতামত নেওয়া হয়েছিল বলে কমিশন সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছিল।

নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহনেওয়াজ বলেন, ''গতকাল কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। শুধু আলাপ আলোচনা হয়েছে।''

বিরোধী দলগুলো সমর্থিত বিভিন্ন প্রার্থীদের অব্যাহত দাবির মুখেই নির্বাচন কমিশন সেনা মোতায়েনের প্রসঙ্গটি আমলে এনেছে।

তবে বাংলাদেশের একাধিক স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা তাদের খবরে বলছে, সেনা মোতায়েনের পক্ষে গতকালই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন।

এ অনুযায়ী আগামী ২৫শে এপ্রিল থেকে চারদিনের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

তবে এসব খবর উড়িয়ে দিয়ে মি. শাহনেওয়াজ বলেন, ''গতকাল সিদ্ধান্ত হলে তো আজকে আর বৈঠকের দরকার হতো না।''

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বিরোধী দলগুলো প্রথম থেকেই এই নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে আসছে।