ফারুক হত্যা: 'দুই ভাই দেশ ছেড়েছে, দুজন ঢাকায়'

ছবির উৎস, google maps
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার তিন বছর পরে ক্ষমতাসীন দলেরই সংসদ সদস্যসহ অভিযুক্ত ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
বুধবার মামলার অভিযোগ পত্র গ্রহণ করে সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে জেলার একটি আদালত।
এদিকে হত্যার ঘটনার তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে অভিযুক্তরা পলাতক হওয়ায় হতাশ মামলার বাদী নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ।
তিনি বলেন, অভিযুক্তদের মধ্যে সংসদ সদস্য ও তার তিন ভাই রয়েছে।
টেলিফোনে তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “দুই ভাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আর দুজন ঢাকাতে আছেন। তারা ক্ষমতাশালী। একজন বর্তমান সংসদ সদস্য আরেকজন সাবেক মেয়র”।
মিসেস আহমেদ আরও বলেন, তিনি নিজের চোখে না দেখলেও অভিযুক্তদের কাউকে কাউকে টাঙ্গাইলে কখনও কখনও দেখা গেছে বলে শুনেছেন।
তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি তার স্বামী হত্যার বিচারের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী।
মিসেস আহমেদ বলেন, “ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার পর তার বিচার হবে বলে আশা রাখি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও আমাকে তেমনই আশ্বাস দিয়েছেন”।
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ষাটোর্ধ ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ তার বাসার কাছেই পাওয়া যায়।
ঘটনার পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় তদন্ত শেষে এবছর ফেব্রুয়ারি মাসে গোয়েন্দা পুলিশ টাঙ্গাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমানুর এবং তাঁর তিন ভাইসহ মোট ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ পত্র দেয়।
অভিযুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন কারাগারে আছেন। অভিযোগ পত্রে বলা হয়, আসামিরা অত্যন্ত কৌশলী হওয়ায় দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় রাজনীতি থেকে ফারুক আহমেদকে সরানোর উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল।








